BD Global Times — বাংলার সংবাদ

  • বরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রিন্সিপাল মাওলানা নূরুল হুদার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    বরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রিন্সিপাল মাওলানা নূরুল হুদার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বরেণ্য শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষক নেতা প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. নূরুল হুদার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

    দীর্ঘ শিক্ষকতা, শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় জ্ঞানচর্চা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় শিক্ষকতা পেশায় নিবেদিত থেকে মাওলানা নূরুল হুদা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে চার দশকেরও বেশি সময় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রিন্সিপালের দায়িত্বে ছিলেন। কওমি ও আলিয়া—উভয় ধারার শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ডিগ্রি দাওরায়ে হাদিস ও কামিল অর্জনকারী তিনি ছিলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী। কোরআন, হাদিস, ফিকাহ ও আরবি সাহিত্যে তাঁর ছিল গভীর পাণ্ডিত্য।

    দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে জ্ঞান ও নৈতিকতার শিক্ষায় গড়ে তোলার পাশাপাশি বহু আলেমে দ্বীন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। মৃত্যুর সময় তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পূবাইলে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী হারবাইদ দারুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান ছিল বহুমুখী। গাজীপুরের টঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী আল-হেলাল স্কুল ও আল-হেলাল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। এছাড়া ফেনীর সোনাগাজীর আমিরাবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল এবং মানিকদি সিনিয়র মাদরাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সোনাগাজী ফাজিল মাদরাসা ও ভাদাদিয়া মাদরাসাতেও শিক্ষকতা করেছেন। আমৃত্যু তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন।

    শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন দেশবরেণ্য ওয়ায়েজ, একাধিক মসজিদের খতিব এবং বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘নূরাইন ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

    জমিয়াতুল মোদার্রেছীন, মাদরাসা শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়ে শিক্ষকদের অধিকার আদায় এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় ইস্যুতে আন্দোলন-সংগ্রামেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাওলানা নূরুল হুদা।

    লেখালেখির সঙ্গেও তাঁর ছিল নিবিড় সম্পর্ক। জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘সংবাদদাতা’ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জ্ঞানচর্চা, শিক্ষকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সমাজসেবাকে সমন্বিত করে তিনি একটি দীর্ঘ ও কর্মময় জীবন অতিবাহিত করেন।

    পারিবারিক জীবনে প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. নূরুল হুদা ছিলেন চার পুত্র ও সাত কন্যাসন্তানের জনক। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এম আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশের যুগ্ম সম্পাদক। মেঝো পুত্র এম এনায়েত উল্লাহ কমফোর্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সেজো পুত্র মুহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) গাজীপুর জেলা সংবাদদাতা, সাংবাদিক ইউনিয়ন গাজীপুরের (জেইউজি) সাধারণ সম্পাদক ও আল-হেলাল স্কুলের প্রিন্সিপাল। কনিষ্ঠ পুত্র অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী।

    মরহুমের সহধর্মিণীও ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন।

    মৃত্যুর ১৩ বছর পরও শিক্ষা ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর কর্ম ও অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন সাবেক শিক্ষার্থী, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনরা। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • কুষ্টিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নার্সারী ব্যবসা

    কুষ্টিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নার্সারী ব্যবসা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বেঁচে থাকার জন্য গাছের কোন বিকল্প নেই। পরিবেশ রক্ষার্থে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। গাছের গুরত্ব ও চাহিদার কারলেই বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় গড়ে উঠেছে প্রায় ৩ শতাধিক সরকারী বেসরকারী নার্সারী। সফলতা এসেছে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার নার্সারী ব্যবসায় । বৃক্ষরোপন মৌসুমকে সামনে রেখে জেলার নার্সারী মালিকরা তৎপর হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নার্সারীর ব্যবসা। সরকারী নার্সারীর পাশাপাশি বেকার যুবকরাও নার্সারী গড়ে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বৃক্ষরোপনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করেছে।

    ফুলফলসহ নানা প্রজাতির গাছ-গাছালিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে কুষ্টিয়ার নার্সারীগুলো। নার্সারীর চারিদিকে তাকালেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। কুষ্টিয়া শহরতলীসহ ৬টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক সরকারী-বেসরকারী নার্সারী।

    বিভাগীয় বন অফিস জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ কুষ্টিয়ায় ১৩টি উপজেলায় ৩ শতাধক নার্সারী গড়ে উঠেছে। এসব নার্সারীতে ফল-ফুল ও ঔষধী গাছের চারার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে এমন গাছের চারাও উৎপাদিত হচ্ছে। জেলার নার্সারীগুলোতে এ ব্যবসায় এসেছে সফলতা।

    বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ নার্সারী ব্যবসা। বৃক্ষের আর্থিক মূল্য অনুধাবন করেই গ্রামাঞ্চলে বৃক্ষরোপন প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃক্ষ রোপন মৌসুমকে সামনে রেখে নার্সারীগুলো চারা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে তৎপর হয়ে কাজ করছে। নার্সারীর শ্রমিকরা একদিকে যেমন গাছ পরিচর্যা ও গাছ তুলে বাজারজাত করার কাজে ব্যস্ত। তেমনি মালিকরাও নিজেদের নার্সারীর সুনাম বয়ে আনতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সমাহার ঘটিয়ে নার্সারীকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ মৌসুমে জেলার বিভিন্ন হাট বাজারেও বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা বিক্রি করা হচ্ছে।

    বৃক্ষরোপনের উদ্যোগকে বেগবান করতে জেলার গড়ে ওঠা নার্সারীগুলো ব্যাপক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ মৌসুমে গাছের চারার চাহিদা থাকায় দিনদিন নার্সারী ব্যবসার প্রসার ঘটছে। জেলার অনেকেই নার্সারী গড়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। অনেক বেকার যুবক নার্সারী করে স্বাবলম্বী হলেও সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ায় এ ব্যবসায় আগের মতো আর লাভ নেই বলে নার্সারী মালিকরা জানালেন।

    নার্সারী মালিকরা অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে সরকারীভাবে চারা ক্রয় করা হয় না। চারা ক্রয়ে সরকারী কর্মকর্তারাও মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেন না। নার্সারী মালিকদের নিকট থেকে যদি চারা ক্রয় করা হয় তাহলে নার্সারী মালিকরা আরো উপকৃত হবে। এদিকে সবুজ বনায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার বন বিভাগ কার্যক্রম চালালেও এ বছর তাদের তেমন কোন কার্যক্রম নেই। প্রতি বছর জেলার স্কুল কলেজে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হলেও এ বছর কোন বরাদ্দ না আসায় বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    কুষ্টিয়া জেলার ৬৬ ইউনিয়নসহ বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় নার্সারী ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বৃক্ষরোপন আন্দোলন জনসাধারণের মাঝে সাড়া পেয়েছে। বন বিভাগের সহযোগিতা পেলে কুষ্টিয়া জেলায় আরো নার্সারী ব্যবসা বাড়তে পারে। বৃহত্তর কুষ্টিয়ার উৎপাদিত চারা জেলার চাহিদা পূরণ করে বাইরে পাঠানো যাবে বলে নার্সারী মালিকরা অভিমত প্রকাশ করেন। নার্সারী সবুজ বনায়নে যেমন রাখতে পারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তেমনি জেলার বেকার সমস্যার সমাধানেও যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হতে পারে।

  • কাপাসিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় ২০ জন গ্রেপ্তার

    কাপাসিয়ায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় ২০ জন গ্রেপ্তার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গাজীপুরের কাপাসিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কথিত সমাবেশ ও মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টমূলে ছয়জন এবং নিয়মিত মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাপাসিয়া থানা পুলিশ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভোরে কাপাসিয়া থানার বারিষাব ইউনিয়নের পূর্ব লোহাদী এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও অপপ্রচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অকার্যকর করার উদ্দেশ্যে সমবেত হন বলে অভিযোগ ওঠে।

    এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮/৯(১)/৯(২)/৯(৩)/১০/১১/১২ ধারায় মামলা করা হয়।

    মামলার পর ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কাপাসিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এজাহারনামীয় ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—কাপাসিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা (৪৫), তরগাঁও ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আঃ হান্নান (৫১), মো. জহিরুল ইসলাম (২৯), মোস্তাকিম (৩৭), সুমন (২৬), শ্রাবন (১৯), যোবায়ের (১৯), হৃদয় খান (২০), মুন্না হোসেন (১৯), সানী (২২), নিয়ান খান অমি (১৭) ও সুমন (১৬)।

    গ্রেপ্তার জুয়েল রানা কাপাসিয়া উপজেলার তরুন এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং মো. আঃ হান্নান মৈশন এলাকার মৃত ছমির উদ্দিনের ছেলে। অন্যদের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলার খিলগাঁও, ভিটিপাড়া, বেগুনহাটি ও আশপাশের এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    এছাড়া বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টমূলে ছয়জন এবং নিয়মিত মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত ২০ জনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা শাখা।

    মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা শহরের এ মালেক কনভেনশন হলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক মোহাইমেন।

    ইসলামী ছাত্রশিবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা শাখার সভাপতি সজিব মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মাওলানা মোবারক হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জুনায়েদ হাসান, জেলা জামায়াতের আইসিটি সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাহিত্য সম্পাদক রাজিফুল হাসান বাপ্পী, প্রচার সম্পাদক মো: রুকন উদ্দিন ও জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়া ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষাজীবনের এ অর্জন ভবিষ্যতের পথচলায় কাজে লাগাতে হবে। শুধু অ্যাকাডেমিক সাফল্য নয়; মেধার পাশাপাশি নৈতিকতা, সুশিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগানোর জন্য তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • কেরানীগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    কেরানীগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ঢাকার কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো: ফরহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ফরহাদ রায়েরবাজারের ‘এলেক্স গ্রুপ’-এর সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বসিলা ব্রিজ-সংলগ্ন আরশিনগর এলাকায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের বন্ধু সাকিব জানান, ফরহাদ পেশায় মাছ ও কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। দুপুরে তিনি চুল কাটানোর জন্য আরশিনগর এলাকার একটি সেলুনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে সাব্বিরের নেতৃত্বে সাগর, হাবিব, আরমানসহ বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত আকস্মিক তার ওপর হামলা চালায়। তারা ফরহাদকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    পরে স্থানীয়রা ও বন্ধুরা গুরুতর আহত অবস্থায় ফরহাদকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত ফরহাদ হোসেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার দুলারহাট গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে কেরানীগঞ্জের আরশিনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। চার বছর আগে বিয়ে করলেও তার কোনো সন্তান ছিল না।

    ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশ এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

  • জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

    জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

    জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় দেশীয় উৎস থেকে প্রাপ্ত গ্যাসের পাশাপাশি আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনের তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিতে ইতিবাচক অগ্রগতি ঘটেছে বলে জানা গেছে।
    মঙ্গলবার ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
    জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে দেশীয় উৎসের উৎপাদন এবং আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় করে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    পেট্রোবাংলার তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় সরবরাহ করা মোট গ্যাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১৬১ দশমিক ৫ কোটি ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে সরবরাহ হয়েছে ৯৯ দশমিক ১ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহের বড় একটি অংশই এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে। এর পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করা হচ্ছে।পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, সার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
    পেট্রোবাংলা সূত্র অনুযায়ী, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ থেকে ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে গতকাল জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট। আগের দিন রোববার সরবরাহ ছিল ২৩৩ দশমিক ১৯ কোটি ঘনফুট।মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহের ফলে আগের দিনের তুলনায় সরবরাহ বেড়েছে ২৬ দশমিক শূন্য ৭ কোটি ঘনফুট। আর রোববারের তুলনায় বেড়েছে ২৭ দশমিক ৪১ কোটি ঘনফুট। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

  • শিশুর সম্ভাবনা বিকাশে মুক্ত পরিবেশ চান জুবাইদা

    শিশুর সম্ভাবনা বিকাশে মুক্ত পরিবেশ চান জুবাইদা

    কোমলমতি শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা, আকাশচুম্বী আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বিকশিত করতে তাদের উপযুক্ত শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা এবং স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল ‘ব্লু স্কাই’ পরিদর্শন করেন তিনি। পরে মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুবাইদা রহমান এ আহ্বান জানান। শিশুরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার মহান সৈনিক উল্লেখ করে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘এখানে এসে একটি কথাই মনে পড়ছে, সেটা হলো- যেকোনো আকাঙ্ক্ষার জন্য মুক্ত আকাশই শেষ সীমানা। শিশু কিশোররা আকাশচুম্বী আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাবে। কারণ, আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ গড়ার মহান সৈনিক। শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ।শিশুদের উৎকর্ষ সাধনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীতে কন্যা শিশুদের জন্য বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই শিশুদের উৎকর্ষ সাধনের জন্যই স্থাপিত হয়েছিল শিশু একাডেমি। পরবর্তীতে কন্যা শিশুদের উচ্চতর স্তরে লেখাপড়া অবৈতনিক করা হয়। নতুন কুঁড়ির মতো সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলা বিষয়ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।’জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘প্রতিটি শিশুর জীবন অগণিত আকাশচুম্বী ভাবনায় ভরপুর। শুধু চায় সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা, তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের বন্দোবস্ত ও সবুজ খোলামাঠে প্রকৃতির মাঝে খেলাধুলা, বিচরণের সুযোগ, যেকোনো ব্যাধির চিকিৎসার নিশ্চয়তা আমাদের সকলের সৃষ্টি করতে হবে। যেন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায়, উপজেলায়, ৫৯৯টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৯৯০ টি গ্রামের কোনো শিশু-কিশোর অবহেলায় ঝরে না পড়ে। প্রত্যেক শিশু যেন তার অভিভাবক ও পরিবারের কাছে সুরক্ষিত থাকে।’
    শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার প্রশংসা করে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা পেলে শিশুরা তাদের অসীম প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। দলগতভাবে যেকোনো সাফল্য অর্জন এবং খেলাধুলার মানসিকতা তাদের পরবর্তীতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শক্তি ও মনোবল জোগাবে।’জুবাইদা রহমান বলেন, ‘শিশুরা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রিয় ও মূল্যবান সম্পদ। তাদের সকলের মধ্যে আকাশচুম্বী স্বপ্নÑ নীল আকাশে ডানা মেলে উড়বে। তাদের ইচ্ছাÑ আকাশচুম্বী মনোবল নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’
    তিনি আরো বলেন, ‘শিশুরা আজ প্রমাণ করেছেÑ সকলে মিলে একসঙ্গে কিছু সার্থক করার পরিচয়। যেটি খেলাধুলার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত জরুরি। এই শিক্ষায় তাদের পরবর্তীতে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার মনোবল ও শক্তি জোগাবে। তোমরাই নক্ষত্রের মতো উজ্জ্বল হয়ে বাংলাদেশের মুখ আলোকিত করবে।’অনুষ্ঠানে নারীদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতির (বাফওয়া) ভূমিকা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের ৫১ শতাংশ নারী জনসংখ্যার উন্নয়নে বাফওয়ার এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও হস্তশিল্পের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অভিনব। তিনি গোল্ডেন ঈগল স্কুলের ছাত্রীদেরও ধন্যবাদ জানান এবং তাদের সম্ভাবনার শীর্ষে পৌঁছানোর শুভ কামনা জানান।বক্তব্যের আগে ডা. জুবাইদা রহমান ব্লু স্কাই স্কুল পরিদর্শন শেষে স্কুলের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু এবং ‘বাফওয়া গোল্ডেন ঈগল নার্সারি’র শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা জুবাইদা রহমানের সামনে গান, নৃত্য, ফ্যাশন শো-সহ নানা পারফরম্যান্সে অংশ নেন। এ সময় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও থেরাপি সুবিধা প্রদানসহ নারীদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে বাফওয়ার মানবিক উদ্যোগগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন জুবাইদা রহমান।পরে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জুবাইদা রহমানের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন ব্লু স্কাই স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।
    পরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি এবং আদার্স ওমেন এন্ড চিলড্রেন ক্লাবের পক্ষ থেকে জুবাইদা রহমানের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক ও বিশেষ উপহার হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি ছবি তুলে দেওয়া হয়। পরে বাফওয়া কর্মসূচি এবং ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্মিত ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী করা হয়।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি এবং আদার্স ওমেন এন্ড চিলড্রেন ক্লাবের সভানেত্রী সালেহা খান। আরো বক্তব্য রাখেন, ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নূর উল্লাহ ( পিএসসি)। অনুষ্ঠানে সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (প্রশাসন), বাফওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভানেত্রীবৃন্দ, বাফওয়া এ কে খন্দকার ও বাশার শাখার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বই কেন পড়বে

    বই কেন পড়বে

    সম্পাদকীয়:

    আমরা জানি, পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পাঠ্যবই পড়া খুবই জরুরি। কিন্তু শুধু ক্লাসের পাঠ্যবই পড়লেই কি সব শেখা হয়ে যায়? না, যায় না। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনি, ধর্মীয়, জীবনী কিংবা বিজ্ঞানবিষয়ক বই আমাদের শেখার জগৎকে আরো বড় করে দেয়। এসব বই শুধু তথ্য দেয় না, জীবনকে নতুনভাবে দেখতেও শেখায়। সেই সঙ্গে জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে সঠিক পথে সমাধান করার পথ দেখায়।

    গল্পের বই পড়লে আমরা নানা মানুষের জীবন, সুখ-দুঃখ, সাহস, সংগ্রাম আর সাফল্যের কথা জানতে পারি। এতে আমাদের কল্পনাশক্তি বাড়ে আর নতুনভাবে ভাবতে শিখি। কবিতা পড়লে ভাষার সৌন্দর্যটা বুঝতে পারি, নতুন নতুন শব্দের সঙ্গে পরিচয় হয় আর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করাও সহজ হয়ে যায়। উপন্যাস পড়লে ধৈর্য ধরে পড়ার অভ্যাস হয়, মানুষের মন বুঝতে সাহায্য করে আর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটাও বোঝা যায়। আর ভ্রমণকাহিনি পড়লে ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বন, মরুভূমি আর নানা সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা যায়।

    বই আসলে আমাদের খুব ভালো একজন বন্ধু। মন খারাপ থাকলে একটি ভালো বই আনন্দ দেয়, একা থাকলে সঙ্গ দেয় আর অবসর সময়টাকে সুন্দরভাবে কাটাতে সাহায্য করে। নিয়মিত বই পড়লে চিন্তাশক্তি বাড়ে, স্মৃতিশক্তি ভালো হয় আর সুন্দরভাবে কথা বলা ও লেখার অভ্যাস তৈরি হয়। পরীক্ষার উত্তর লেখাও তখন সহজ হয়ে আসে, কারণ বই আমাদের ভাষা সমৃদ্ধ করে আর নিজের কথা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে সাহায্য করে।

    যারা বেশি বই পড়ে, তারা সাধারণত বেশি প্রশ্ন করে, নতুন কিছু জানতে চায় আর সমস্যা সমাধানেও ভালো হয়। বই মানুষকে শুধু জ্ঞানীই না, আরো মানবিকও করে তোলে। অন্যের কষ্ট বোঝা, প্রকৃতিকে ভালোবাসা, সত্য কথা বলা, দায়িত্বশীল হওয়া আর দেশকে ভালোবাসার মতো গুণগুলো বই থেকেই আমরা শিখি। অনেক বড় বিজ্ঞানী, লেখক, নেতা আর আবিষ্কারকের জীবনে বইই ছিল সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

    আজকাল মোবাইল, টিভি আর ইন্টারনেটে অনেক কিছু জানা যায় ঠিকই, কিন্তু বই পড়ার যে মজা আর গভীরতা, সেই সঙ্গে জ্ঞানের ভান্ডারের অধিকারী হওয়া, সেটা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। বই আমাদের মনোযোগ বাড়ায়, ধৈর্য শেখায় আর গভীরভাবে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তোলে। তাই প্রতিদিন অল্প হলেও বই পড়ার অভ্যাস রাখা ভালো। দিনে মাত্র ২০-৩০ মিনিট বই পড়লেও বছরে অনেক বই শেষ করা সম্ভব।

    মনে রেখো, পাঠ্যবই আমাদের পরীক্ষায় ভালো করতে সাহায্য করে আর গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি আমাদের মানুষ হিসেবে আরো ভালো করে তোলে। তাই শুধু ভালো ছাত্র না, ভালো মানুষ হতে চাইলে বইকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বানিয়ে ফেলো।

  • যেসব বিষয়ে দাখিল ও এসএসসিতে অভিন্ন প্রশ্ন

    যেসব বিষয়ে দাখিল ও এসএসসিতে অভিন্ন প্রশ্ন

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিতব্য দাখিল ও এসএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩টি বিষয়ে প্রশ্নপত্র হবে অভিন্ন।

    মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারকে এ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। দাখিল ও এসএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়া বিষয়গুলো হলো- বাংলা ২য় পত্র (১০২), ইংরেজি ১ম পত্র (১০৭), ইংরেজি ২য় পত্র (১০৮), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১৫৪), গণিত (১০৯), বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (১৫০), পদার্থবিজ্ঞান (১৩৬), রসায়ন (১৩৭), জীববিজ্ঞান (১৩৮), উচ্চতর গণিত (১২৬), পৌরনীতি ও নাগরিকতা (১৪০), কৃষিশিক্ষা (১৩৪), গার্হস্থ্যবিজ্ঞান (১৫১)।

    এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলা ১ম পত্রের পরিবর্তিত বিষয় কোড ১০১ হলেও এসএসসি ও দাখিল স্তরের সিলেবাসের ভিন্নতার কারণে ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে বর্ণিত বিষয় কোড বহাল থাকবে এবং তাদের জন্য পূর্বের ন্যায় পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

    এমতাবস্থায়, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব মাদ্রাসা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহকে উপর্যুক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়ার জন্য নির্দেশ করা হয়েছে।

  • চবির হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা, পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

    চবির হল প্রভোস্টের কক্ষে তালা, পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আলাওল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জমালুল আকবর চৌধুরীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন হলটির শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে প্রভোস্টকে হলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।

    মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হল সংসদের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হল সংসদের সঙ্গে সমন্বয় না করা, প্রশাসনিক কাজে দীর্ঘসূত্রিতা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, সিট বণ্টনে অস্বচ্ছতা এবং জরুরি সংস্কারকাজে ধীরগতিসহ নানা কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন। এ ছাড়া খেলাধুলা ও ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজেও প্রভোস্টের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন তারা।

    আলাওল হল সংসদের জিএস নুরুন্নবী বলেন, তিনি হল সংসদের কোনো কাজে সহায়তা করেন না। আমরা তার পদত্যাগ চাই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাকে হলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। হলটির সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি নিয়ে তার কাছে গেলে নানা বিষয়ে হয়রানির শিকার হন। আমরা তার পদত্যাগ চাই।

    চবির সহকারী প্রক্টর খায়রুল ইসলাম সুজন বলেন, আলাওল হলে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। প্রক্টরিয়াল বডি সমস্যা সমাধানের জন্য হল সংসদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করছে।